banner

কর্তৃপক্ষের বানী

মোছাঃ নাছিমা আক্তার, প্রতিষ্ঠাতা

প্রতিষ্ঠাতা

সম্মানিত পাঠক, অভিভাবক ও দ্বীনপ্রেমী ভাই-বোন,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। “দুনিয়ার শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানায়, আর দ্বীনের শিক্ষা মানুষকে খাঁটি বানায়।”

আলহামদু লিল্লাহ! সকল প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার যিনি মানবজাতিকে হিদায়াতের জন্য কুরআনুল কারীম দান করেছেন এবং হযরত মুহাম্মদ ﷺ-কে রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছেন। দরুদ ও সালাম প্রিয় নবীজীর প্রতি, যিনি আমাদেরকে দ্বীনের পূর্ণাঙ্গ পথ প্রদর্শন করেছেন। একটি স্বপ্ন, একটি দায়িত্ব, আর এক অন্তরাল আকাঙ্ক্ষার নাম—“মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা”। এই প্রতিষ্ঠান কেবল একটি শিক্ষা কেন্দ্র নয়, এটি এক ইবাদতের কেন্দ্রস্থল, এক দীপ্ত সম্ভাবনার পথ, যেখানে শিশু-কিশোররা বেড়ে উঠছে কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে। এই প্রতিষ্ঠানের সূচনা হয়েছিল এক নিঃস্বার্থ দোয়ার মধ্য দিয়ে—“হে আল্লাহ! এমন কিছু রেখে যেতে দাও, যা কিয়ামত পর্যন্ত সাওয়াবের দরজা খোলা রাখবে।”

গ্রামের নাম ভাটি সাভার।ময়মনসিংহ জেলার বৈশিষ্ট্য মন্ডিত নান্দাইল উপজেলার অন্যতম ৩নং নান্দাইল ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহা সড়কের পার্শ্বে অর্থাৎ নান্দাইল প্রবেশ করার প্রায় ২ কিঃ মিঃ পশ্চিমে ভাটি সাভার গ্রাম অবস্থিত। এই গ্রামের যাতায়াত ব্যাবস্থা অনেক ভালো ।এই গ্রামে বহু খ্যাতিমান মনীষী জন্ম গ্রহণ করেন I এই গ্রামের অধিকাংশ লোক মুসলমান ।আর এই মুসলমানদের শিক্ষাব্যবস্থার সূচনা হয় আল্লাহর বাণী- “পড় তোমার প্রভুর নামে যিনি তোমাকে সৃষ্টি করেছেন” (সূরা: আলাক, আয়াত-১)। মসজিদে নববীতে অবস্থিত ‘সুফফা’ হলো ইসলামের প্রথম শিক্ষাকেন্দ্র বা বিশ্ববিদ্যালয়। রাসূল (সা:) ছিলেন প্রথম শিক্ষক এবং সাহাবিগণ প্রথম ছাত্র। সেখান থেকেই ইসলামী শিক্ষার ইতিহাস শুরু হয়। আর ইলমই হলো আল্লাহর কাছে মর্যাদা বৃদ্ধির প্রথম উপায়। আল্লাহ বলেন, “তোমাদের মধ্যে যারা ঈমান এনেছে এবং যাদেরকে ইলম বা জ্ঞান প্রদান করা হয়েছে তাদের মর্যাদা আল্লাহ বাড়িয়ে দেবেন” (সূরা: মুজাদালা, আয়াত- ১১)। ইলম শিক্ষা করার জন্য পথচলা, হাঁটা, কষ্ট করা ইত্যাদিও ইবাদত। এগুলোর মর্যাদা আল্লাহর কাছে অত্যন্ত বেশি। (বুখারি, মুসলিম)। আল্লাহ সুবহানু তা’য়ালা অশেষ মেহেররানীতে ইলম ও আমলের মাধ্যমে মুসলিম জনসাধারনের মধ্যে ইসলামী জিন্দেগীর সহিহ্ নমুনা পেশ করার জন্য উপযুক্ত শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করার নিমিত্তে নাম—“মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা” গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করি।

মানুষের জীবনের সর্বোচ্চ সফলতা হলো দুনিয়াতে নেক আমলের মাধ্যমে পরকালে মুক্তি অর্জন করা। সেই মুক্তির আশায়, নিজের ঈমান রক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দ্বীনের পথে পরিচালিত করার গভীর আকাঙ্ক্ষা থেকেই আমি প্রতিষ্ঠা করেছি “মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা”। এই প্রতিষ্ঠান কোনো আর্থিক লাভ বা দুনিয়াবি খ্যাতির উদ্দেশ্যে নয়; বরং আমার একান্ত ইচ্ছা—আমার জীবনের প্রতিটি নিঃশ্বাস যেন দ্বীনের খেদমতে ব্যয় হয়, এবং এই প্রতিষ্ঠান কিয়ামত পর্যন্ত কুরআন-সুন্নাহর আলো সকল নারীগণের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ মরেও অমর হয়—যদি সে এমন কিছু রেখে যেতে পারে, যা আল্লাহর রাহে সদকায়ে জারিয়া হয়। এই মাদরাসাই আমার সেই স্বপ্নের বাস্তব রূপ। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিই: আমার পরিশ্রম, আমার জীবনের প্রতিটি বিন্দু সময়, আমি উৎসর্গ করব একটি এমন প্রতিষ্ঠান গড়ার জন্য—যেটি একদিন শত শত আল্লাহভীরু, নৈতিক, আদর্শ নাগরিক ও হক্কানী আলেমা তৈরি করবে। আমাদের মাদরাসায় শুধু হিফজ বা তালীম নয়—শেখানো হয় জীবনের আদর্শ। শিশুদের/বালিকাদের মধ্যে গড়ে তোলা হয় ইনসাফ, তাকওয়া, বিনয়, ও মানুষের প্রতি দয়াশীলতা। আমরা বিশ্বাস করি, কুরআনের হাফেজ হওয়া মানেই কেবল মুখস্থ নয়—হতে হবে জীবনকে কুরআনের আলোয় গড়া এক জীবন্ত দৃষ্টান্ত।

প্রতিষ্ঠান গঠনের শুরু থেকেই নানা প্রতিকূলতা, সীমিত সম্পদ, অসংখ্য বাঁধা-বিপত্তি অতিক্রম করে আমি এই পথ চলা শুরু করি। আল্লাহর অশেষ কৃপায় আজ এই প্রতিষ্ঠান দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে। আমার ইচ্ছে, এই মাদরাসা হবে এমন এক দ্বীনি নূরের মিনার, যেখান থেকে জাতি পাবে হকপন্থী আলেমা, আদর্শ সংসরী নারী ও সমাজসেবিকা, নৈতিকতা-বান মানুষ এবং আল্লাহভীরু গুনধারী আলেমা, ইসলামের খেদমতকারিনী। আমি একাগ্রতায় দিনরাত এ মাদরাসার উন্নয়ন ও প্রসারে কাজ করে যাচ্ছি—কারণ এটি আমার হৃদয়ের অংশ, আমার জীবনের মূল আশা, আমার পরকালীন মুক্তির বাহন।

সকল প্রসংশা ঐ মহান আল্লাহর জন্য যিনি মানুষ সৃষ্টি করেছেন অতঃপর তাকে কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন যা সে জানত না। অসংখ্য দুরূদ ও সালাম মানবতার মুক্তির দিশারী পৃথিবীর শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রতি যিনি বিশ্ব মানবতার শিক্ষক হিসেবে প্রেরিত হয়েছেন এবং যিনি আলেমদেরকে নিজের উত্তরাধীকারী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন।

মানুষের জীবনের সুস্পষ্ট দুটি অধ্যায়- ইহকাল ও পরকাল। উভয় জীবনের সফলতাই মানব জীবনের সফলতা। আর এই সফলতার একমাত্র মাধ্যম দ্বীনি শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষার মাধ্যমে নিজেকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলা। একটি শিশু সর্বপ্রথম মায়ের কাছেই শিক্ষা লাভ করে। মাতৃ জাতির দ্বীনি শিক্ষা তথা সু-শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া মানেই একটি জাতি, একটি দেশ শিক্ষিত হওয়া। তাই একটি শিশুকে ইসলামী শিক্ষাদানের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার মাধ্যমে শারীরিক ,মানসিক ও প্রযুক্তিগতভাবে বলিষ্ঠ করে গড়ে তোলা প্রয়োজন।"মহাগ্রন্থ আলকুরআনের প্রথম বাণী হল “ইকরা” অর্থাৎ পড়, মানব জাতীর মুক্তির সনদ আল-কুরআনের এ বাণীই প্রমান করে লেখাপড়া তথা শিক্ষার প্রতি কিরুপ গুরুত্ব, প্রতিযোগিতা মূলক ও জ্ঞান বিজ্ঞানের জগতে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। একটি সুস্থ জাতি গঠন উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌছাতে হলে একদল মানুষকে ইসলামী শিক্ষার পাশাপাশি জাগতিক শিক্ষার সমন্বয়ে বিজ্ঞান সম্মত শিক্ষা ব্যবস্থায় গড়ে উঠা মাদ্রাসায় পড়তে হবে। দ্বীনি শিক্ষা অর্জন ও সঠিক আমলের পাশাপাশি মানবিক মুল্যবোধ সম্পন্ন একদল দক্ষ আলেমে দ্বীন হিসেবে নিজেদেরকে তৈরি করতে হবে। যারা হবেন সমাজ পরিবর্তের মূল কারিগর। তারাই সমাজ থেকে নানান কুঃসংস্কার, বিদআত ও শিরকের মূলোৎপাটন করবে। সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা, অন্যায় ও যুলুমের বিরুদ্ধে মূল ভুমিকায় থাকবে।

এ জন্য দরকার মান সম্পন্ন ইসলামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা আধুনিক মাদ্রাসা। যেখানে শিক্ষক, অবিভাবক ও রাষ্ট্র সকলের সার্বিক সহযোগিতায় শিক্ষার পরিবেশ ও মান বজায় থাকবে। বর্তমান সময়ে সমাজের প্রতিটি স্তরে যেভাবে অপরাধ মুলক কর্মকান্ড ছডিয়ে পড়ছে এবং ইসলামের সঠিক আদর্শ থেকে মানুষ দূরে সরে যাচ্ছে যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বিষেশতঃ সমাজের ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা ও নৈতিক অধঃপতন আমাকে প্রচন্ডভাবে ভাবিয়ে তোলে | সমাজের এই অবস্থা দূর করে, ইসলামী সমাজ বিনির্মান একদল দক্ষ আলেমে-দ্বীন ব্যতিত সম্ভব নয়।

আমি বিশ্বাস করি “মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা” অত্র গ্রামের নারীদেরকে কুরআন, হাদীস, ফিকহ, আকীদাহ ইত্যাদি ইসলামি শাস্ত্র শিক্ষা দিয়ে আলোকিত করে। এর ফলে নারীরা ইসলামের সৌন্দর্য ও বিধান সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ করে। একজন নারী যখন মাদ্রাসায় দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করে, তখন তার মধ্যে লজ্জাশীলতা, হায়া, তাকওয়া, আমানতদারি, ধৈর্য ও বিনয় ইত্যাদি গুণের বিকাশ ঘটে। সে হয়ে ওঠে একজন আদর্শ স্ত্রী, মা ও সমাজনেত্রী। নারী যদি দ্বীনের শিক্ষা পায়, তবে সে সন্তানদের আদর্শ দ্বীনি পরিবেশে বড় করতে পারে। ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ ইসলামি সমাজ গঠনের ভিত রচিত হয়। মাদ্রাসা নারীদের আত্মবিশ্বাস ও যোগ্যতা তৈরি করে, যেন তারা অন্য নারীদের মধ্যে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে পারে – পরিবার, পাড়া-মহল্লা ও সমাজে। নারী মাদ্রাসাগুলোতে হিফজ, ক্বিরাত, ফিকহ, ইসলামী সাহিত্য, আরবি ভাষা ও দাওয়াহ প্রশিক্ষণ দিয়ে নারীদেরকে দ্বীনি কাজের জন্য প্রস্তুত করে। মাদ্রাসা একটি নিরাপদ, পর্দাশীল ও নারী-উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করে, যাতে মেয়েরা ইসলামী জ্ঞান গ্রহণে আগ্রহী হয় । বর্তমান যুগে যেখানে নৈতিকতা ও দ্বীনি চেতনা বিলুপ্তির পথে, সেখানে এমন একটি প্রতিষ্ঠান গড়া ছিল সময়ের দাবি। আমি বিশ্বাস করি, একমাত্র কুরআন ও সহিহ হাদীস ভিত্তিক শিক্ষা দ্বারাই আমাদের প্রজন্মকে সৎ, নৈতিক ও আল্লাহভীরু মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বালি, টিন, ইট, প্রতিটি পর্দা, প্রতিটি দরজা যেন সাক্ষ্য দেয় আমার দোয়া, মেহনত ও একাগ্র সাধনার।

আমি আশা করি, এই প্রতিষ্ঠান একদিন শুধু আমার এলাকার নয় বরং পুরো জাতির দ্বীনি জ্ঞানচর্চার এক আলোকস্তম্ভে পরিণত হবে। আমি সকল শুভাকাঙ্ক্ষীর নিকট দোয়া কামনা করি—আল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করেন, এটিকে খালেস নিয়তের মাধ্যমে পরিচালিত রাখেন এবং এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমি ও আমরা সকলেই পরকালের মুক্তি লাভ করতে পারি। কৃতঞ্জতা জানাই আমার পরিবারের প্রত্যেক সদস্য, এলাকার প্রতিটি মানুষ যাহারা আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগীত করেছেন, পরামর্শ দিয়ে, শ্রম দিয়ে, আর্থিক অনুদান দিয়ে সাহায্য করেছেন। দোয়া করি আল্লাহ সুবহানু ওয়া তা’য়ালা আপনাদের সকলের দান কবুল করে জান্নাতের ফয়সালা করে দিন। হে আমার রব, আমাকে সালাত কায়েমকারী বানান এবং আমার বংশধরদের মধ্য থেকেও, আমার বংশ থেকে তদারককারী ও ইসলামের খাদেম বানান, কিয়ামত পর্যন্ত অব্যাহত রাখুন, আপনি ইসলামের দাঈ তৈরী করুন। হে আমাদের রব, আর আমার দো‘আ কবূল করুন। হে আমাদের রব, যেদিন হিসাব কায়েম হবে, সেদিন আপনি আমাকে, আমার পিতামাতাকে ও মুমিনদেরকে ক্ষমা করে দিবেন। আমিন। হে আল্লাহ, আমার ছেলে. মেয়ে সহ সকল পরিবার বর্গের ও আমাদের জীবিত ও মৃত, উপস্থিত ও অনুপস্থিত, ছোট ও বড় এবং পুরুষ ও নারী সকলকে ক্ষমা করে দিন। হে আল্লাহ! আমাদের সব কাজের শেষ ফল সুন্দর করুন এবং আমাদেরকে দুনিয়ার লাঞ্ছনা ও কবরের আজাব থেকে মুক্ত রাখুন।’ আমিন।

আমি দেশ-বিদেশের সকল দ্বীনদার ভাইবোনদের দোয়া ও আর্থিক সহযোগিতা কামনা করি—আল্লাহ যেন আমার এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা কবুল করেন, এটিকে খাঁটি নিয়তের সাথে টিকে থাকার তাওফীক দেন এবং এই প্রতিষ্ঠানকে দিনদিন উন্নতির পথে এগিয়ে নিয়ে যান।পরিশেষে মহান আল্লাহর দরবারে এই দোয়া করি, আল্লাহ যেন এই প্রতিষ্ঠানকে নিজ কুদরতে তার কক্ষপথে পরিচালনা করেন। আমিন, ইয়া রাব্বূল আলামীন।

“সুবহানাল্লহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লহিল আযীম” সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা আশহাদুআল্লা-ইলাহা ইল্লা আনতা আসতাগফিরুকা ওয়াতুবু ইলাইক”।
وَآخِرُ دَعْوَانَا أَنِ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ والسلام 
সন্মানসহ, 

আপনাদের দ্বীনি খাদেম,
মোছাঃ নাছিমা আক্তার 
প্রতিষ্ঠাতা 
মদিনাতুল উলূম নাছিমা আক্তার কাওমী মহিলা মাদরাসা 
মোবাইলঃ ০১৩৩৫৫৫৪৮৮৮, ০১৮৮৬৬৮৮৮১১ 
ফোনঃ ০২৯৯৭৭৬১৩২৯ 
মেইলঃ nasima.madrasa@gmail.com

কর্তৃপক্ষের বানী

মোছাঃ নাছিমা আক্তার, প্রতিষ্ঠাতা
প্রতিষ্ঠাতা

সম্মানিত পাঠক, অভিভাবক ও দ্বীনপ্রেমী ভাই-বোন,
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। “দুনিয়ার শিক্ষা মানুষকে মানুষ বানায়, আর দ্বীনের শিক্ষা মানুষকে খাঁটি...

আলেমা তাযকিয়াতুল জান্নাত ইলমা
মুহতামিমাহ'

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য যিনি রব্বুল আলামীন। সৃষ্টি করেছেন মানুষ। শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন। অসংখ্য, অগণিত দুরূদ ও সালাম বিশ্ব মানবতার মুক্তির দ...

মৌলভী মুহাম্মদ জুবেদ আলী (দাঃ বাঃ)
সভাপতি, পরিচালনা কমিটি

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। আউযু বিল্লাহি মিনাশ্শাইত্বনির রজীম, বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম। সর্বপ্রথম কৃতঞ্জতা জানাই মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাকে দ্বীনি তা'লীম ও তারবিয়...

মুহাম্মদ মোকসিতুর রহমান শিহাব
পরিচালক

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ। আলহামদুলিল্লাহ!
সর্বপ্রথম কৃতজ্ঞতা জানাই মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে যিনি আমাকে দ্বীনি তা'লীম ও তারবিয়াতের মানোন্ন...

ফেসবুকে আমরা

গুরুত্বপূর্ন লিংক

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

ভর্তি বিজ্ঞপ্তি

MAP

11 অক্টোবর ২০২৬
৩০ রবিউস সানি ১৪৪৮
রবি
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহঃ
শুক্র
শনি
1
২০
2
২১
3
২২
4
২৩
5
২৪
6
২৫
7
২৬
8
২৭
9
২৮
10
২৯
11
৩০
12
১
13
২
14
৩
15
৪
16
৫
17
৬
18
৭
19
৮
20
৯
21
১০
22
১১
23
১২
24
১৩
25
১৪
26
১৫
27
১৬
28
১৭
29
১৮
30
১৯
31
২০

ওয়েব সাইট দর্শনার্থী

Today 17
Yesterday 22
All 4275
Online 0
WhatsApp চ্যাট ×
Messenger চ্যাট ×